তাঁর পরিবার বহুদিন ধরেই ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে জড়িত। মা তনুজা সমর্থ জনপ্রিয় অভিনেত্রী, বাবা সোমু মুখোপাধ্যায় প্রযোজক-পরিচালক। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সাংস্কৃতিক আবহেই বড় হয়ে ওঠা অভিনেত্রী কাজলের। অভিনয় তাই তাঁর কাছে নতুন কোনও জগৎ ছিল না, কিন্তু ওই চেনা জগতেই স্বতন্ত্র পরিচয় তাঁকে গড়ে নিতে হয়েছে। সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায়, সৌন্দর্য, গায়ের রং সংক্রান্ত ধারণার মাপকাঠি পেরিয়ে কেবলমাত্র অভিনয়ের জেরেই বলিউডে নিজের জাত চিনিয়েছেন নায়িকা।
বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়েও নিজের বাঙালি পরিচয় কখনও ভোলেননি তিনি। দুর্গাপুজোয় সাবেকি শাড়ি, পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া, বাংলা ভাষায় স্বচ্ছন্দ না হয়েও বাঙালি সংস্কৃতিকে ভালবেসেছেন। বাংলা খাবারের প্রতিও তাঁর আলাদা টান। তাঁর ব্যক্তিত্বেও বাঙালিয়ানা ভরপুর।
১৯৯২ সালে প্রথম ছবিতে অভিনয় করেন নায়িকা। শুরুটা সহজ ছিল না। সাফল্যও আসেনি। তবে এক বছরের মাথায় ভাগ্যের মোড় ঘুরে যায়। 'বাজিগর' তাঁকে পৌঁছে দেয় দর্শকের মনে। তার পর যেন একের পর এক সাফল্য। আর সেই সাফল্যের সিঁড়ি বেয়েই ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে', 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়', 'গুপ্ত'— প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে নানা চরিত্রে নতুন ভাবে প্রমাণ করেছেন।
শাহরুখ খানের সঙ্গে তাঁর জুটি আজও ভারতীয় জনপ্রিয় সিনেমার অন্যতম আলোচিত জুটি। কাজল কখনও নিজেকে একটি নির্দিষ্ট কিছুতে আটকে রাখেননি। নতুন নতুন চরিত্রে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ১৯৯৯ সালে অভিনেতা অজয় দেবগণকে বিয়ে করেন তিনি। মন দেন সংসারে। তখন থেকেই ধীরে ধীরে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দেন কাজল। পরে কন্যা নিশা এবং পুত্র যুগ তাঁর জীবনে আসায় মাতৃত্বকেই বেছে নেন তিনি।
খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে স্বেচ্ছায় বিরতি নেওয়ার সাহস সকলের থাকে না। কাজল সেই ব্যতিক্রমীদের এক জন। অভিনয় জীবনের সোনালি সময়ে তিনি সংসারকে বেছে নিয়েছেন, মাতৃত্বকে দিয়েছেন অগ্রাধিকার। সঠিক সময় এলে ফিরেছেনও নিজের প্রথম ভালবাসা, অভিনয়ের কাছে। তাই কাজলের জীবন যে শুধু একজন সফল অভিনেত্রীর কাহিনি নয়, বরং বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজের পরিচয় নতুন করে গড়ে তোলার গল্প লিখেছেন নায়িকা।
মা হওয়ার পর কাজলের সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করে। কেরিয়ারের ব্যস্ততম সময়, তখনই তিনি খ্যাতির পরিবর্তে পরিবারকে এগিয়ে রেখেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সন্তানদের বেড়ে ওঠার মুহূর্তগুলি উপভোগ করতে চেয়েছেন তিনি। সেই কারণেই বহু কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। সঠিক সময়ে আবার ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন তিনি স্বমহিমায়। ‘দিলওয়ালে’ দিয়েই তাঁর প্রত্যাবর্তন হয়েছে বলিউডে। এর পর বেছে বেছে চরিত্র করেছেন কাজল। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পরিণত চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি কনটেন্ট-নির্ভর গল্প বেছেছেন। নারীকেন্দ্রিক চিত্রনাট্যে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত প্রত্যবর্তন নয়, বলিউডে তা এক উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে। ফের তাঁর অভিনয়ের গভীরতায় ডুবেছেন সিনেপ্রেমীরা।
বর্তমানে বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র করছেন। সঞ্চালনায়ও সমান সাবলীল কাজল। নতুন প্রজন্মোর জন্য যুগের সঙ্গে নিজের অভিনয়ের ধরন বদল করেছেন প্রতিনিয়ত। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও তাই কাজল এখনও অন্যতম সেরা এক নাম।তাঁর পরিবার বহুদিন ধরেই ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে জড়িত। মা তনুজা সমর্থ জনপ্রিয় অভিনেত্রী, বাবা সোমু মুখোপাধ্যায় প্রযোজক-পরিচালক। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সাংস্কৃতিক আবহেই বড় হয়ে ওঠা অভিনেত্রী কাজলের। অভিনয় তাই তাঁর কাছে নতুন কোনও জগৎ ছিল না, কিন্তু ওই চেনা জগতেই স্বতন্ত্র পরিচয় তাঁকে গড়ে নিতে হয়েছে। সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায়, সৌন্দর্য, গায়ের রং সংক্রান্ত ধারণার মাপকাঠি পেরিয়ে কেবলমাত্র অভিনয়ের জেরেই বলিউডে নিজের জাত চিনিয়েছেন নায়িকা।
বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়েও নিজের বাঙালি পরিচয় কখনও ভোলেননি তিনি। দুর্গাপুজোয় সাবেকি শাড়ি, পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া, বাংলা ভাষায় স্বচ্ছন্দ না হয়েও বাঙালি সংস্কৃতিকে ভালবেসেছেন। বাংলা খাবারের প্রতিও তাঁর আলাদা টান। তাঁর ব্যক্তিত্বেও বাঙালিয়ানা ভরপুর।
১৯৯২ সালে প্রথম ছবিতে অভিনয় করেন নায়িকা। শুরুটা সহজ ছিল না। সাফল্যও আসেনি। তবে এক বছরের মাথায় ভাগ্যের মোড় ঘুরে যায়। 'বাজিগর' তাঁকে পৌঁছে দেয় দর্শকের মনে। তার পর যেন একের পর এক সাফল্য। আর সেই সাফল্যের সিঁড়ি বেয়েই ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে', 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়', 'গুপ্ত'— প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে নানা চরিত্রে নতুন ভাবে প্রমাণ করেছেন।
শাহরুখ খানের সঙ্গে তাঁর জুটি আজও ভারতীয় জনপ্রিয় সিনেমার অন্যতম আলোচিত জুটি। কাজল কখনও নিজেকে একটি নির্দিষ্ট কিছুতে আটকে রাখেননি। নতুন নতুন চরিত্রে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ১৯৯৯ সালে অভিনেতা অজয় দেবগণকে বিয়ে করেন তিনি। মন দেন সংসারে। তখন থেকেই ধীরে ধীরে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দেন কাজল। পরে কন্যা নিশা এবং পুত্র যুগ তাঁর জীবনে আসায় মাতৃত্বকেই বেছে নেন তিনি।
খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে স্বেচ্ছায় বিরতি নেওয়ার সাহস সকলের থাকে না। কাজল সেই ব্যতিক্রমীদের এক জন। অভিনয় জীবনের সোনালি সময়ে তিনি সংসারকে বেছে নিয়েছেন, মাতৃত্বকে দিয়েছেন অগ্রাধিকার। সঠিক সময় এলে ফিরেছেনও নিজের প্রথম ভালবাসা, অভিনয়ের কাছে। তাই কাজলের জীবন যে শুধু একজন সফল অভিনেত্রীর কাহিনি নয়, বরং বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজের পরিচয় নতুন করে গড়ে তোলার গল্প লিখেছেন নায়িকা।
মা হওয়ার পর কাজলের সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করে। কেরিয়ারের ব্যস্ততম সময়, তখনই তিনি খ্যাতির পরিবর্তে পরিবারকে এগিয়ে রেখেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সন্তানদের বেড়ে ওঠার মুহূর্তগুলি উপভোগ করতে চেয়েছেন তিনি। সেই কারণেই বহু কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। সঠিক সময়ে আবার ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন তিনি স্বমহিমায়। ‘দিলওয়ালে’ দিয়েই তাঁর প্রত্যাবর্তন হয়েছে বলিউডে। এর পর বেছে বেছে চরিত্র করেছেন কাজল। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পরিণত চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি কনটেন্ট-নির্ভর গল্প বেছেছেন। নারীকেন্দ্রিক চিত্রনাট্যে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত প্রত্যবর্তন নয়, বলিউডে তা এক উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে। ফের তাঁর অভিনয়ের গভীরতায় ডুবেছেন সিনেপ্রেমীরা।
বর্তমানে বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র করছেন। সঞ্চালনায়ও সমান সাবলীল কাজল। নতুন প্রজন্মোর জন্য যুগের সঙ্গে নিজের অভিনয়ের ধরন বদল করেছেন প্রতিনিয়ত। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও তাই কাজল এখনও অন্যতম সেরা এক নাম।
বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়েও নিজের বাঙালি পরিচয় কখনও ভোলেননি তিনি। দুর্গাপুজোয় সাবেকি শাড়ি, পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া, বাংলা ভাষায় স্বচ্ছন্দ না হয়েও বাঙালি সংস্কৃতিকে ভালবেসেছেন। বাংলা খাবারের প্রতিও তাঁর আলাদা টান। তাঁর ব্যক্তিত্বেও বাঙালিয়ানা ভরপুর।
১৯৯২ সালে প্রথম ছবিতে অভিনয় করেন নায়িকা। শুরুটা সহজ ছিল না। সাফল্যও আসেনি। তবে এক বছরের মাথায় ভাগ্যের মোড় ঘুরে যায়। 'বাজিগর' তাঁকে পৌঁছে দেয় দর্শকের মনে। তার পর যেন একের পর এক সাফল্য। আর সেই সাফল্যের সিঁড়ি বেয়েই ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে', 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়', 'গুপ্ত'— প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে নানা চরিত্রে নতুন ভাবে প্রমাণ করেছেন।
শাহরুখ খানের সঙ্গে তাঁর জুটি আজও ভারতীয় জনপ্রিয় সিনেমার অন্যতম আলোচিত জুটি। কাজল কখনও নিজেকে একটি নির্দিষ্ট কিছুতে আটকে রাখেননি। নতুন নতুন চরিত্রে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ১৯৯৯ সালে অভিনেতা অজয় দেবগণকে বিয়ে করেন তিনি। মন দেন সংসারে। তখন থেকেই ধীরে ধীরে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দেন কাজল। পরে কন্যা নিশা এবং পুত্র যুগ তাঁর জীবনে আসায় মাতৃত্বকেই বেছে নেন তিনি।
খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে স্বেচ্ছায় বিরতি নেওয়ার সাহস সকলের থাকে না। কাজল সেই ব্যতিক্রমীদের এক জন। অভিনয় জীবনের সোনালি সময়ে তিনি সংসারকে বেছে নিয়েছেন, মাতৃত্বকে দিয়েছেন অগ্রাধিকার। সঠিক সময় এলে ফিরেছেনও নিজের প্রথম ভালবাসা, অভিনয়ের কাছে। তাই কাজলের জীবন যে শুধু একজন সফল অভিনেত্রীর কাহিনি নয়, বরং বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজের পরিচয় নতুন করে গড়ে তোলার গল্প লিখেছেন নায়িকা।
মা হওয়ার পর কাজলের সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করে। কেরিয়ারের ব্যস্ততম সময়, তখনই তিনি খ্যাতির পরিবর্তে পরিবারকে এগিয়ে রেখেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সন্তানদের বেড়ে ওঠার মুহূর্তগুলি উপভোগ করতে চেয়েছেন তিনি। সেই কারণেই বহু কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। সঠিক সময়ে আবার ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন তিনি স্বমহিমায়। ‘দিলওয়ালে’ দিয়েই তাঁর প্রত্যাবর্তন হয়েছে বলিউডে। এর পর বেছে বেছে চরিত্র করেছেন কাজল। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পরিণত চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি কনটেন্ট-নির্ভর গল্প বেছেছেন। নারীকেন্দ্রিক চিত্রনাট্যে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত প্রত্যবর্তন নয়, বলিউডে তা এক উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে। ফের তাঁর অভিনয়ের গভীরতায় ডুবেছেন সিনেপ্রেমীরা।
বর্তমানে বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র করছেন। সঞ্চালনায়ও সমান সাবলীল কাজল। নতুন প্রজন্মোর জন্য যুগের সঙ্গে নিজের অভিনয়ের ধরন বদল করেছেন প্রতিনিয়ত। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও তাই কাজল এখনও অন্যতম সেরা এক নাম।তাঁর পরিবার বহুদিন ধরেই ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে জড়িত। মা তনুজা সমর্থ জনপ্রিয় অভিনেত্রী, বাবা সোমু মুখোপাধ্যায় প্রযোজক-পরিচালক। মুখোপাধ্যায় পরিবারের সাংস্কৃতিক আবহেই বড় হয়ে ওঠা অভিনেত্রী কাজলের। অভিনয় তাই তাঁর কাছে নতুন কোনও জগৎ ছিল না, কিন্তু ওই চেনা জগতেই স্বতন্ত্র পরিচয় তাঁকে গড়ে নিতে হয়েছে। সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায়, সৌন্দর্য, গায়ের রং সংক্রান্ত ধারণার মাপকাঠি পেরিয়ে কেবলমাত্র অভিনয়ের জেরেই বলিউডে নিজের জাত চিনিয়েছেন নায়িকা।
বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়েও নিজের বাঙালি পরিচয় কখনও ভোলেননি তিনি। দুর্গাপুজোয় সাবেকি শাড়ি, পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া, বাংলা ভাষায় স্বচ্ছন্দ না হয়েও বাঙালি সংস্কৃতিকে ভালবেসেছেন। বাংলা খাবারের প্রতিও তাঁর আলাদা টান। তাঁর ব্যক্তিত্বেও বাঙালিয়ানা ভরপুর।
১৯৯২ সালে প্রথম ছবিতে অভিনয় করেন নায়িকা। শুরুটা সহজ ছিল না। সাফল্যও আসেনি। তবে এক বছরের মাথায় ভাগ্যের মোড় ঘুরে যায়। 'বাজিগর' তাঁকে পৌঁছে দেয় দর্শকের মনে। তার পর যেন একের পর এক সাফল্য। আর সেই সাফল্যের সিঁড়ি বেয়েই ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে', 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়', 'গুপ্ত'— প্রতিটি ছবিতে তিনি নিজেকে নানা চরিত্রে নতুন ভাবে প্রমাণ করেছেন।
শাহরুখ খানের সঙ্গে তাঁর জুটি আজও ভারতীয় জনপ্রিয় সিনেমার অন্যতম আলোচিত জুটি। কাজল কখনও নিজেকে একটি নির্দিষ্ট কিছুতে আটকে রাখেননি। নতুন নতুন চরিত্রে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ১৯৯৯ সালে অভিনেতা অজয় দেবগণকে বিয়ে করেন তিনি। মন দেন সংসারে। তখন থেকেই ধীরে ধীরে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দেন কাজল। পরে কন্যা নিশা এবং পুত্র যুগ তাঁর জীবনে আসায় মাতৃত্বকেই বেছে নেন তিনি।
খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে স্বেচ্ছায় বিরতি নেওয়ার সাহস সকলের থাকে না। কাজল সেই ব্যতিক্রমীদের এক জন। অভিনয় জীবনের সোনালি সময়ে তিনি সংসারকে বেছে নিয়েছেন, মাতৃত্বকে দিয়েছেন অগ্রাধিকার। সঠিক সময় এলে ফিরেছেনও নিজের প্রথম ভালবাসা, অভিনয়ের কাছে। তাই কাজলের জীবন যে শুধু একজন সফল অভিনেত্রীর কাহিনি নয়, বরং বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজের পরিচয় নতুন করে গড়ে তোলার গল্প লিখেছেন নায়িকা।
মা হওয়ার পর কাজলের সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করে। কেরিয়ারের ব্যস্ততম সময়, তখনই তিনি খ্যাতির পরিবর্তে পরিবারকে এগিয়ে রেখেছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সন্তানদের বেড়ে ওঠার মুহূর্তগুলি উপভোগ করতে চেয়েছেন তিনি। সেই কারণেই বহু কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। সঠিক সময়ে আবার ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন তিনি স্বমহিমায়। ‘দিলওয়ালে’ দিয়েই তাঁর প্রত্যাবর্তন হয়েছে বলিউডে। এর পর বেছে বেছে চরিত্র করেছেন কাজল। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পরিণত চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি কনটেন্ট-নির্ভর গল্প বেছেছেন। নারীকেন্দ্রিক চিত্রনাট্যে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত প্রত্যবর্তন নয়, বলিউডে তা এক উল্লেখযোগ্য ছাপ রেখেছে। ফের তাঁর অভিনয়ের গভীরতায় ডুবেছেন সিনেপ্রেমীরা।
বর্তমানে বড়পর্দার পাশাপাশি ওটিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র করছেন। সঞ্চালনায়ও সমান সাবলীল কাজল। নতুন প্রজন্মোর জন্য যুগের সঙ্গে নিজের অভিনয়ের ধরন বদল করেছেন প্রতিনিয়ত। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও তাই কাজল এখনও অন্যতম সেরা এক নাম।
তামান্না হাবিব নিশু